প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে হাজার হাজার কন্টেন্ট আছে, কিভাবে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো যায়, আরো প্রোডাক্টিভ হওয়া যায়। অনেকগুলো ডট কানেক্ট করিয়ে মেক্সিমাম রেজাল্ট আনা যায়। 🔥
এই ডটগুলো আমাদের বুঝতে হবে, এরকম অনেক অনেক ডট রয়েছে, আপনার সাথে যে পয়েন্টগুলো এডাপ্টেবল মনে হয় সে অনুযায়ী কাস্টমাইজ করে নিলেই
০১/ প্রোডাক্টিভিটির শুরুই হয় Discipline থেকে। ডিসিপ্লিন এর উপরে আর কিচ্ছু নেই। কোনো একটা কাজ করবো কি করবো না, সেইটা আমাদের মুড বা সিচুয়েশনের উপরে ডিপেন্ড করানোর ডিপেন্ডেন্সি থেকে বের হয়ে আসা যায় ডিসিপ্লিন এর মাধ্যমে।
২/ রুটিন মেইনটেইন শুরু করা। যারা সফল তাদের মেক্সিমামই রেন্ডম কাজে এঙ্গেজড না। মেক্সিমাম ই রুটিন মেইনটেইন করতেই পছন্দ করে। ব্যাপারটা এমন না এটা ব্রেক করা যাবে না, তবে রুটিন বানানোর সময় আদৌ বাস্তবায়ন সম্ভব কি না, সেগুলো মাথায় রেখেই রুটিন বানানো দরকার।
আমি ব্রডলি শিডিউলগুলো ফিক্স করি। লাইক, অফিস টাইম, ফ্যামিলি টাইম, ফ্রিল্যান্স কাজের শিডিউল, ব্যাচের টাইম। খাতায় বার, টাইম দিয়ে ঘর করলেই পুরো সপ্তাহের ফাঁকা সময়টা দেখতে পারি।
৩/ এবার আমাদের এক্টিভিটি ট্র্যাকের পালা। কাজ করার আগে এটা জানা জরুরী আসলে কি করতে হবে। এরজন্য আগের রাতেই পরের দিনের টুডু লিস্ট রেডি করে ফেলা।
এটা ডিজিটালি করার জন্য Google Keep এপ টা ইউজ করা যায়। অনেকে হার্ডকাভারের ডেইলি প্ল্যানার কিনে সেখানে লিখে, আবার অনেকে খাতায় লিখে (আমি এটা করি, এনালগ হলেও সুন্দর ভাইব দেয় আমার ক্ষেত্রে)।
এটা যেনো মিস না হয়ে যায় তাই সব রিসোর্স একসাথে রাখা জরুরী। আমি দুইটা নোটপ্যাড ইউজ করি। একটি ছোট, একটি বড়। এছাড়া আমার আর কোনো ডায়রী, নোটবুক রাখি নি। শেষ হবে, নতুন নিবো, পুরাতনটা যত্ন করে রেখে দিব।
ড্রাফট আইডিয়া, রেন্ডম নোট, মিটিং সামারি এখানে থাকে। আর টুডু লিস্ট, ট্র্যাকার, কোর্স বা লার্নিং সব বড়টায় থাকে। এইটা আমার Asset এবং ডাটাবেইজ
৪/ কাজ বা পড়াশোনার জন্য চাই ডেডিকেটেড স্পেস, টেবিল। টেবিল সবসময় মিনিমাল রাখার চেষ্টা করবেন। খুব দরকার নেই, এইরকম কিছু টেবিলে রাখার দরকার নেই।
একটা পেন স্ট্যান্ড (বিভিন্ন রকমের কলম দিয়ে ভর্তি করে রাখা প্রেফার করি), স্টিকি নোট (ইমিডিয়েট কাজগুলো চোখের সামনে রাখার জন্য), চাইলে হেডফোন বা Earbird রাখতে পারেন, পানির বোতল আর চাইলে ছোট্ট একটা ঘড়ি রাখা যেতে পারে।
এটা আপনার মাইন্ড যেমন ফ্রেশ রাখবে তেমনি কাজেও একটা এক্সট্রা এনার্জি পাবেন।
এই কাজটা গুগল ক্যালেন্ডার এ সুন্দরভাবে করা যায়। ইউটিউবে গুগল ক্যালেন্ডারে স্লট কিভাবে বুক করতে হয় এটা নিয়ে ০২ মিনিট ঘাটলেই বুঝে যাবেন।
৫/ সুন্দর ট্র্যাকিং সিস্টেম রেডি করা। ট্র্যাক না থাকলে আপনি কখননোই বুঝবেন না প্রগ্রেস হচ্ছে কি হচ্ছে না। এই ট্র্যাকিং সিস্টেম এর জন্য Google Sheet, Excel, Notion সহ অনেক অনেক এপ আছে যেগুলাতে ডিজিটালি ট্র্যাক করা যায়।
আমি অনেক অনেকদিন এগুলা ব্যবহার করে আমার জন্য বেস্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম পেয়েছি ম্যানুয়ালি হাতে ট্র্যাক করাতে। ইউটিউবে “Bullet Journaling” লিখলেই এই সিস্টেমটা পেয়ে যাবেন। আমার এটা পছন্দ। আমি প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে বা সকালেই আগের দিনেরটা ট্র্যাকারে এড করে রাখি।
